Study Tour : Balapur Jomidar Bari, Madhobdi, Norshingdi

বালাপুর জমিদারবাড়ি
মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে নরসিংদী সদর উপজেলা জেলার পাইকারচর ইউনিয়নে বালাপুর গ্রামে তৈরি হয়েছিল বন্দরনগরী। বাণিজ্যিক নগরীকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই শ বছর আগে জমিদার নবীন চন্দ্র সাহা বালাপুর গ্রামে ৩২০ বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করেন এই বাড়িটি। তিনতলা ভবনটিতে রয়েছে ১০৩টি কক্ষ, যার প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে মোজাইক, টাইলস ও কারুকার্য খচিত দরজা-জানালা। জমিদারবাড়ি ঘিরে পশ্চিমে রয়েছে একটি বিশাল পুকুর, উত্তরে রয়েছে বিশাল আকারে দুর্গাপূজামণ্ডপ, অতিথিদের থাকা-খাওয়া ঘুমানোর জন্য আরো রয়েছে ৩১ কক্ষের একটি দালান। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির সময় তৎকালীন জমিদার নবীন চন্দ্র সাহা ভারতে চলে যাওয়ার সময় মন্দিরসহ মদনমোহন বিগ্রহের নামে বাড়িটি দান করে যান। স্বাধীনতাযুদ্ধের পর স্থানীয় ভূমিহীন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বাড়িটিতে আশ্রয় নেয়। কালের বিবর্তন ও সংস্কার না করায় বর্তমানে বিশাল এই বাড়িটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। 
নরসিংদী জেলা সদর থেকে সোজা দক্ষিণে পাইকার চর ইউনিয়নের মেঘনা নদী সংলগ্ন বালাপুর গ্রাম। সদর উপজেলা থেকে প্রায় ১৭ কি.মি. দক্ষিণে মেঘনা নদীর ধার ঘেঁষে বালাপুরের জমিদার কালী মোহন সাহা (কালী বাবু) পিতামহ নবীন চন্দ্র সাহা এর বাড়ি। নবীন চন্দ্র সাহার ৩ পুত্র (১) কালী মোহন সাহা (জমিদার বাবু) (২) আশুতোষ সাহা (৩) মনোরঞ্জন সাহা। এদের ৩ ভাই এর মধ্যে জমিদার কালী বাবুই ছিল প্রধান। বংশধর হিসাবে অনিল চন্দ্র সাহা তার ২ ছেলে (১) অজিৎ চন্দ্র সাহা (২) অশিত চন্দ্র সাহা (কালী বাবুর ভাতিজা) এবং (ভাতিজা) বীরেন চন্দ্র সাহার ছেলে (১) দেবাশীষ চন্দ্র সাহা।
জমিদারী স্টেট প্রায় ৩২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত একটি বিশাল আকারের কারুকাজ করা দালান রয়েছে। দালানটিতে কক্ষ রয়েছে ১০৩টি। দালানটির পূর্বদিকে ৩য় তলা, উত্তর দিকে ১ তলা, দক্ষিণ দিকে ২য় তলা এবং পশ্চিম দিকে একটি বিশাল আকারের কারুকাজ খচিত গেট। বাড়িটির চতুর্দিকেই রয়েছে ইমারত ও কারুকার্যপূর্ণ একটি সুসম্পন্ন দালান। যার প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে মোজাইক, টাইলস্ লাগানো ও কারুকার্য খচিত দরজা জানালা। জমিদার বাড়ি ঘিরে পশ্চিমে রয়েছে একটি বিশাল পুকুর, উত্তরে রয়েছে বিশাল আকারে দুর্গা পূজাম-প, অতিথিদের থাকা খাওয়া ঘুমানোর জন্য আরো রয়েছে ৩১ কক্ষ বিশিষ্ট একটি দালান।